কলকাতার মধ্যাঞ্চলের মির্জা গালিব স্ট্রিটে শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হওয়ার চার দিন পর শনিবার হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেহালার ডায়মন্ড হারবার রোডের বাড়ি থেকে ৪৬ বছর বয়সি বীরেশ্বরকে আটক করা হয়। বুধবার ভোরের ওই আগুনে নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, আগুনের পর বীরেশ্বর গাড়িতে কলকাতা ছেড়ে ঝাড়খন্ডের ধানবাদে যান এবং সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি কেন বাড়িতে ফিরলেন এবং আত্মগোপনে কেউ সহায়তা করেছে কি না, তা তদন্ত করছে পুলিশ। তার দুটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করায় আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়; অর্থসংকটেই তিনি ফিরতে পারেন বলে পুলিশের ধারণা।
রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজত চাইবে। হোটেলের ইজারাদার আবু জাফরকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের পর মধ্য কলকাতার ২৫টি হোটেল, ইন ও রেস্তোরাঁকে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে; পরিদর্শনের পর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়েছে।