উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কয়েকশ এলপিজি পাম্প প্রায় চার দিন ধরে বিক্রি বন্ধ রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাড়তি দামের আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় এলপিজিচালিত ব্যক্তিগত ও ভাড়ার যানবাহনের মালিক-চালকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয় ও চালকদের ভাষ্য, কিছু পাম্পে তালা ঝুলছে, কোথাও মেশিন বিকলের অজুহাত দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও গ্যাস নেই বলা হচ্ছে। দিনাজপুরের একটি পাম্পসংলগ্ন দোকানদাররা জানান, সরবরাহ বন্ধের আগের দিন সেখানে গ্যাসবাহী ট্রাক খালাস হয়েছে। কাকিনার এক পাম্পকর্মী বলেন, গ্যাস থাকলেও মালিক বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। গোবিন্দগঞ্জের আরেক কর্মী বলেন, কর্মীদের গ্রাহকদের গ্যাস না থাকার কথা বলতে বলা হয়েছে।
এক পাম্প ব্যবস্থাপক মেশিন বিকলের কথা বললেও আরেক ব্যবস্থাপক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এলপিজির দাম বাড়ানোর যৌক্তিক কারণ নেই; নির্ধারিত দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেছেন, মজুত থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ বন্ধের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কৃত্রিম সংকট বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।