তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার থেকে জেলে ও বাওয়ালিরা আবার সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন। সাতক্ষীরা রেঞ্জে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৫৯টি পাস ইস্যু করা হয়, যার মাধ্যমে চার শতাধিক বনজীবী বনে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় প্রথম দিনে অনেকের যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে এবং পর্যটকের উপস্থিতিও কম ছিল।
চলতি মৌসুমে মাছ ধরা ও ইকোট্যুরিজমের জন্য সাতক্ষীরা রেঞ্জের চারটি স্টেশন থেকে ২ হাজার ৯৩৮টি বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট নবায়ন করা হয়েছে। সহকারী বনসংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, কলাগাছি ও দোবেকি ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত। শ্যামনগরের জেলে শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন পাস বন্ধ থাকায় কষ্টে দিন কেটেছে; সংসার চালাতে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও তাদের বনে যেতে হবে।
বনজীবীরা জলদস্যু ও বনদস্যুর আতঙ্কের কথাও জানিয়েছেন এবং বিএলসি নবায়নে সরকারি খরচের বাইরে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। বন বিভাগ জানিয়েছে, কোস্টগার্ডের সঙ্গে যৌথ টহল অব্যাহত আছে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে দস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ থাকে।