জাপানের আইচি-নাগোয়ায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে ২০তম এশিয়ান গেমস। ১৯৯৪ সালে হিরোশিমার পর ৩২ বছর পরে জাপানে ফিরেছে এই আসর। ৪৫ দেশ থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা ৪৩টি খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন; পদক ইভেন্ট ৪৬৯টি এবং অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্বোধনের আগেই আবাসন, পরিবহন ও আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রচলিত অ্যাথলেটস ভিলেজের বদলে প্রায় ২ হাজার অ্যাথলেট অস্থায়ী কনটেইনার কেবিনে এবং প্রায় ৪ হাজার ইতালীয় প্রমোদতরী কোস্টা সেরেনায় থাকছেন। ছোট কক্ষ, লম্বা অ্যাথলেটদের জন্য ছোট বিছানা এবং কক্ষে পানি চুইয়ে পড়ার অভিযোগ এসেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিরা অসন্তোষ জানিয়েছেন এবং দেশটির এক বাস্কেটবল খেলোয়াড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্ষে পানি পড়ার ভিডিও দিয়েছেন। আয়োজক কমিটির সভাপতি হিদেআকি ওমুরা বলেছেন, সাবেক অলিম্পিয়ানদের একটি কমিটি কনটেইনারগুলো ব্যবহার উপযোগী বলে অনুমোদন দিয়েছে।
বাংলাদেশ শেফ দ্য মিশনের বৈঠকে পরিবহন সমস্যা সবচেয়ে বেশি তুলেছে; নির্ধারিত গাড়ি না আসা ও দলীয় লিয়াজোঁদের ভাষাগত জটিলতার অভিযোগ রয়েছে। চীনের জিমন্যাস্টিকস দল বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় আটকে ছিল এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও কাতারের ফুটবল দলকে ভুল করে বেসবল স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছিল। ভারী বৃষ্টিতে কিছু অ্যাথলেটকে সরানো হয়েছে; ঝড়ের প্রয়োজনে ক্রুজ শিপের বাসিন্দাদের সরানোর প্রস্তুতিও আছে।