আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে নেওয়া হলে সেখানে লাখো মানুষ শোক মিছিলে অংশ নেন। মঙ্গলবার রাতে খামেনির কফিন ও পরিবারের সদস্যদের বহনকারী বিমান নাজাফে অবতরণ করে। আল-কুফা সেতু থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শিয়া মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম আলি (রা.)-এর মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নাজাফ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
ইরানে কয়েক দিনব্যাপী স্মরণানুষ্ঠানের পর জানাজার আনুষ্ঠানিকতা ইরাকে স্থানান্তরিত হয়। কর্মকর্তারা জানান, খামেনির মরদেহ কারবালায়ও নেওয়া হবে এবং সেখানে আরও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হবে। অভিজ্ঞ ইরাকি কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা কারবালার অনুষ্ঠানগুলোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় পরিবারের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিহত হন।