বাংলাদেশে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি পদে সরাসরি নিয়োগের পরীক্ষার নম্বর বণ্টনে বড় পরিবর্তনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো এবং লিখিত পরীক্ষায় পাসের হার কমানোর কথা বলা হয়েছে। রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটির বৈঠকে ২০২৬ সালের বিশেষ বিধিমালার খসড়া অনুমোদিত হয়। ১১ ও ১২ গ্রেডে ভাইভার নম্বর ১০ থেকে ৫০ এবং লিখিতের নম্বর ৯০ থেকে ১০০ করার প্রস্তাব রয়েছে; লিখিতে পাস নম্বর ৫০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশে নামানোর কথাও বলা হয়েছে।
১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে লিখিত ৬০ ও ভাইভা ৪০ নম্বর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে লিখিত পরীক্ষায় পাসের সীমা ৪০ শতাংশ হবে। ১৭ থেকে ২০ গ্রেডে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ২৫ নম্বর করে রাখার কথা বলা হয়েছে। কারিগরি পদের প্রার্থীদের লিখিত ও ব্যবহারিক—দুই পরীক্ষায় পাস করার পর ভাইভায় অংশ নিতে হবে এবং নিয়োগ বিবেচনার জন্য মৌখিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলছে, প্রক্সি পরীক্ষার্থী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অপব্যবহার ঠেকিয়ে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যেই পরিবর্তনটি প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা ভাইভার বেশি নম্বর নিয়ে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির ঝুঁকির কথা বলেছেন। সরকারের উপদেষ্টা স্বীকার করেছেন, ভাইভায় কারসাজির সুযোগ তুলনামূলক বেশি হলেও প্রার্থীর অ্যাপটিটিউড ও অন্যান্য যোগ্যতাও বিবেচ্য।