দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া এক সমঝোতার আওতায় ইরান সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল সুবিধা পেতে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ২৩ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই চুক্তির ফলে আগে থেকে অবরুদ্ধ থাকা ইরানি সম্পদ ধাপে ধাপে মুক্ত হবে। কাতারের দোহায় আলোচনায় প্রথমে দুই ধাপে ৬ বিলিয়ন ডলার করে মোট ১২ বিলিয়ন ডলার মুক্ত করার বিষয়ে নীতিগত সমঝোতা হয়, পরে সুইজারল্যান্ডে চূড়ান্ত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়। ইরানের এক মুখপাত্র জানান, প্রক্রিয়াটি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১২ বিলিয়ন ডলার মুক্ত হবে এবং ৬০ দিনের আলোচনার পর আরও ১২ বিলিয়ন ডলার উন্মুক্ত হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হলে মোট ৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে। তবে এই অর্থ ইরানের হাতে অবাধ নগদ হিসেবে দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে, অর্থটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতে পারে, তাই তহবিল ব্যবহারে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
চুক্তির আওতায় মুক্ত অর্থ খাদ্য, ওষুধ ও মানবিক পণ্য আমদানিতে ব্যবহারের অনুমতি পাবে এবং এসব ক্রয় অনুমোদিত মার্কিন-সংযুক্ত আর্থিক চ্যানেলের মাধ্যমে করতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হলে এটি ইরানের অর্থনীতিতে স্বস্তি আনতে পারে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।