যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবার পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে, যদিও দুই পক্ষই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরতে চাইছে না বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়; জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে হামলা করে। বর্তমান অচলাবস্থার কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এবং ইরান অর্থনৈতিক চাপ ভাঙতে তৎপর।
সাম্প্রতিক হামলাগুলো মূলত সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে এবং উভয় পক্ষ বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো তুলনামূলকভাবে এড়িয়ে চলেছে। ইরান সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতে নতুন হামলা করেনি। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পাহারায় হরমুজ দিয়ে ৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ পার করায়, যাতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল তেল ছিল।
বৃহস্পতিবার তেলের দাম সামান্য কমলেও তা যুদ্ধপূর্ব স্তরের চেয়ে বেশি ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের জাতীয় গড় দাম ছিল গ্যালনপ্রতি ৪ দশমিক ১৪ ডলার। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র ফিরলে তেহরানও আলোচনায় ফিরতে প্রস্তুত। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আলোচনায় বসাতে ইরানকে চাপ দিতে চান না।