বাংলাদেশ সরকার কোনো সমীক্ষা ছাড়াই দেশের কয়েকটি অব্যবহৃত বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যা নিয়ে অর্থনৈতিক কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ঈশ্বরদীর মতো কিছু বিমানবন্দর লাভজনক হতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে। ইতোমধ্যে বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগও জোরদার হয়েছে, যদিও অবকাঠামো ও যাত্রী চাহিদা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, লালমনিরহাট, ঈশ্বরদী, শমশেরনগর, খানজাহান আলী ও পটুয়াখালীসহ সাতটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দর ধাপে ধাপে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৫০ একর জায়গাজুড়ে বগুড়া বিমানবন্দরে দুটি রানওয়ে, চারতলা টার্মিনাল ও আধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০২৮ সালের মার্চে চালু হতে পারে। প্রকল্প ব্যয় তিন হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও যাত্রী চাহিদা যাচাই ছাড়া এসব প্রকল্প আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে সরকার বলছে, এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।