ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধিকে ঘিরে পরস্পরবিরোধী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে সেনা পাঠায়, তাহলে ইরানের কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। কেপলারের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মুয়ু শু জানিয়েছেন, এমন অবস্থায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে এবং শিগগিরই তেলের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। এতে এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সংকট, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। জাপানের হাতে এখনো উল্লেখযোগ্য তেলের মজুদ থাকলেও ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে মজুদ তুলনামূলক কম। এসব দেশে তেলের দাম বাড়লে বাস্তব সংকট তৈরি হতে পারে, এমনকি জ্বালানি সরবরাহ ও বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যদি পরিস্থিতি এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়, তাহলে কয়েকটি এশীয় দেশে সামাজিক অস্থিরতা ও মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে।