মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ায় পানামা খাল দিয়ে পণ্য পরিবহনের চাহিদা বেড়েছে এবং এর সঙ্গে পরিবহন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী একটি জাহাজ দীর্ঘ অপেক্ষা এড়াতে অতিরিক্ত ৪০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর থেকে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা হরমুজ প্রণালির অবরোধের কারণ হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে এশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার উপসাগরীয় দেশগুলোর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও গ্যাস কিনে পানামা খাল হয়ে আমদানি করছে। পানামা খাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দৈনিক জাহাজ চলাচল স্থিতিশীল থাকলেও চাহিদা বেড়েছে। জানুয়ারিতে যেখানে দৈনিক ৩৪টি জাহাজ চলাচল করত, মার্চে তা বেড়ে ৩৭টিতে পৌঁছায় এবং কোনো কোনো দিনে ৪০টিরও বেশি জাহাজ চলেছে।
জরুরি ভিত্তিতে খাল ব্যবহারের নিলামে এলএনজি ও তেলবাহী জাহাজগুলো কয়েক মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দর দিয়েছে। পানামা খাল দিয়ে বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়।