বিশ্বের ৯০ শতাংশ গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী শিল্প সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল গ্যাস ইউনিয়ন বা আইজিইউ সতর্ক করেছে, আগামী বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকতে পারে। এতে ইউরোপ বড় ধাক্কা খেতে পারে, কারণ শীতকালীন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মৌসুম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগেই অঞ্চলটি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। এশিয়াও এ পরিস্থিতি থেকে স্বস্তিতে থাকবে না।
আইজিইউর মহাসচিব মেনেলাওস ইড্রিওস রয়টার্সকে বলেন, বাজার পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হতে পারে। মজুত পুনরায় পূরণের প্রয়োজন হওয়ায় ইউরোপ এশিয়ার চেয়ে বেশি দামে গ্যাস কেনার চেষ্টা করছে। তাঁর মতে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ইতোমধ্যে চাহিদায় কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তবে তা সাময়িক নাকি স্থায়ী—এখনো স্পষ্ট নয়।
রয়টার্সের হিসাবে, গ্যাসের দাম এই মাসে প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ৮০ ইউরোতে পৌঁছানোর পর আগামী ছয় মাসে ইউরোপের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কয়লার ব্যবহার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এনার্জি-রিস্ক-আইকিউয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩০ দিনে ইউরোপের বেঞ্চমার্ক গ্যাসের দাম ১৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ইইউ অনুমোদিত রুশ এলএনজি আমদানি নিষেধাজ্ঞা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।