২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন সামনে রেখে জনমত জরিপে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্য হারাতে পারেন। তবে নেতৃত্ব পরিবর্তন হলেও ইরান, গাজা ও লেবাননকে ঘিরে সংঘাত শেষ হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
নেতানিয়াহু ও আইজেনকট দুজনই ইরানকে ইসরাইলের প্রধান নিরাপত্তা হুমকি মনে করেন। আইজেনকট কূটনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে চান, তবে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রাখতে চান। তিনি হামাসের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস এবং ১৮ মাসের মধ্যে গাজায় হামাসের শাসনের অবসানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আইজেনকট নেতানিয়াহুর মতোই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী এবং জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত ইসরাইলের পূর্ণ নিরাপত্তাগত নিয়ন্ত্রণের পক্ষে। তিনি পশ্চিম তীরে কিছু বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সমালোচনা করেছেন। ১২০ আসনের নেসেটে ৬১ আসন ছাড়া সরকার গঠন সম্ভব নয়; আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোটে আইজেনকটের অনীহা তার পথ কঠিন করতে পারে।