৮ জুন নয়াদিল্লির বিএসএফ সদর দপ্তরে শুরু হওয়া ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে বিজিবি প্রতিনিধি দল এবং প্রবীণ কুমারের নেতৃত্বে বিএসএফ প্রতিনিধি দল মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নেয়। বিজিবি অভিযোগ করে যে, ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে এবং এসব অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানায়। পাল্টা জবাবে বিএসএফ জানায়, সীমান্তে বেড়া কাটা, অনুপ্রবেশ ও হামলার মতো কর্মকাণ্ড ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
তীব্র বাকবিতণ্ডার মধ্যেও উভয় পক্ষ মানবপাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রোধে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়। সীমান্তের দেড়শ গজের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ বন্ধ এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেয়।
এদিকে পঞ্চগড় বড়বাড়ি সীমান্তে ৭০ ঘণ্টা পর শূন্যরেখা থেকে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে সরিয়ে নেয় বিএসএফ, ফলে স্থানীয় জটিলতার অবসান ঘটে।