পাকিস্তান ১৪ আগস্ট নানা আয়োজনে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে। রাজধানী ইসলামাবাদে ৩১ বার এবং প্রাদেশিক রাজধানীগুলোতে ২১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা হয়। করাচির মাজার-ই-কায়েদে গার্ড পরিবর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি স্বাধীনতাকে কেবল ঐতিহাসিক অর্জন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি অর্থনীতি শক্তিশালী করা, তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেন। তিনি কাশ্মীর প্রশ্নে পাকিস্তানের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আফগানিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ তোলেন।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, গত আড়াই বছরে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দুই বছরে প্রবাসী আয় ১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, উদ্ভাবন, শিল্প, কৃষি ও দক্ষতা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেন। পানি নিয়ে ভারতকে সতর্ক করে তিনি কাশ্মীরের কূটনৈতিক সমাধান, আঞ্চলিক শান্তি এবং ফিলিস্তিন ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।