ভুট্টা চাষের মৌসুম শুরু হলেও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের অনেক কৃষক প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরকারি গুদামে সার মজুত থাকার কথা জানিয়েছে, কিন্তু মঙ্গলবার ফুলছড়ি উপজেলার চরে বিবিসির সঙ্গে কথা বলা কৃষকেরা সীমিত সরবরাহ, দোকানে দোকানে ঘোরা এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেন। সার না পাওয়ায় কেউ কেউ জমির একটি অংশে চাষ শুরু করতে পারেননি।
চর গুপ্তমনির কৃষক আল আমিন বলেন, বিভিন্ন দোকানে প্রতি বস্তা সারের দাম ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। তিনি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৩০০ টাকা বেশি দিয়ে ডিএপি সার কিনেছেন। পাঁচ বিঘা জমির কৃষক মোহাম্মদ লিটন জানান, সার দিতে পেরেছেন মাত্র দেড় বিঘায়। জাহাঙ্গির আলম বলেন, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩৫০ টাকার ইউরিয়া তাকে ১ হাজার ৫৭০ টাকায় কিনতে হয়েছে।
আগের বিশৃঙ্খলার পর প্রশাসন ডিলারের সরাসরি বিক্রির বদলে ওয়ার্ডভিত্তিক বিক্রয় প্রতিনিধির মাধ্যমে সার বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। এক প্রতিনিধি জানান, চার দফায় ৪০ বস্তা সার পেয়ে সব বিক্রি হয়ে গেছে। ডিলার মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী চলতি মাসে প্রতি ডিলার ৪৪ টন বরাদ্দ পাচ্ছেন এবং সেই অনুযায়ী বিতরণ চলছে।