জর্ডানে তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে টানা পাঁচ দিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৭ জুলাই একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করে একটি মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী আবাসনে আঘাত হানে। এতে তিন মার্কিন সেনা নিহত এবং শতাধিক আহত হন। একই সপ্তাহে কয়েকটি বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান একক অস্ত্রের বদলে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও অন্যান্য ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে ব্যবহার করছে। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হঠাৎ দিক পরিবর্তন করতে পারে, যা শনাক্ত ও ভূপাতিত করা কঠিন করে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হলেও একটি ফাঁক গলে ঢুকে পড়েছিল।
দুইজন মার্কিন অস্ত্র মজুত-সংক্রান্ত তথ্য জানা ব্যক্তির মতে, যুদ্ধকালে পেন্টাগন ১ হাজার ৫০০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে এবং ১ হাজার ৭০০টির কম অবশিষ্ট আছে। সেথ জি. জোন্স বলেন, ইরান রাশিয়ার সমন্বিত হামলার কৌশল কার্যকরভাবে ব্যবহার করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান ভূগর্ভস্থ ও গোপন স্থাপনা ব্যবহার করে সামরিক সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখছে।