সাম্প্রতিক বেইজিং সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘মহান নেতা’ ও ‘বন্ধু’ বলে প্রশংসা করেন। সফর শেষে তিনি অন্য কোনো এশীয় দেশ না ঘুরে দেশে ফিরে যান এবং তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দেন। তার এই অবস্থান এশিয়াজুড়ে, বিশেষ করে ভারতে, মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এই প্রেক্ষাপটে, ভারতের নেতারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সফরের আয়োজন করেন। রুবিও দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন। ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও পাকিস্তানপ্রীতির কারণে সম্পর্কের টানাপোড়েন মেরামতের প্রচেষ্টা হিসেবেই এই সফর দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বর্তমান নীতি পূর্ববর্তী ভারতপন্থি মার্কিন অবস্থানের বিপরীত।
ওয়াশিংটনের অবস্থান পরিবর্তনের ফলে ভারত এখন তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নীতি পুনর্বিবেচনা করছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভারত ও চীন উভয়ই সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী।