বাংলাদেশের দুটি প্রকল্পের জন্য ১১০ কোটি ডলারের জরুরি ঋণ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে এই অর্থ সহায়তা করবে। শুক্রবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যাঁ পেসম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত খাদ্য, সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র কৃষক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় এই অর্থ দিয়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেক ইউরিয়া। এতে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ধান উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা এবং খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা সচল রাখতে অর্থ ব্যয় করা হবে। চলতি ৩০ জুনের মধ্যেই অর্থ ছাড়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে, যাতে দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো যায় এবং প্রশাসনিক জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।