একটি টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছয়টি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়ে তা বিদেশে পাচার করেছে, যার ফলে অন্তত ২৮টি ব্যাংক গুরুতর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলো বিদেশে সম্পদ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে একাধিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (এনডিএ) সই করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত গোষ্ঠীগুলো হলো এস আলম গ্রুপ, আরামিট, সিকদার গ্রুপ, বেক্সিমকো, ওরিয়ন গ্রুপ ও নাসা গ্রুপ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব গোষ্ঠীর কাছে ব্যাংক খাতের সর্বাধিক খেলাপি ঋণ রয়েছে, যার মধ্যে এস আলম গ্রুপের ঋণই দুই লাখ ২৫ হাজার ৩০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) পাচারের প্রমাণ পেয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স পুনর্গঠন করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত করছে। ১১টি শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে এই ছয়টি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রথম পর্যায়ে দেওয়ানি কার্যধারা শুরু হয়েছে, যাদের কাছে মোট খেলাপি ঋণের ৭৭ শতাংশ রয়েছে।