ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তত ১৩ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে। গত শনিবারের এ হামলা সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার, ধারাবাহিক সামরিক হামলা এবং দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরুর পর উপসাগরীয় কোনো দেশে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ইরান সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের সামরিক, জ্বালানি ও পানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। বিমানবন্দর, আকাশপথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় হুথিরা বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরানের সমর্থন থাকলেও হুথিদের নিজস্ব রাজনৈতিক লক্ষ্য রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত মাসে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক সহায়তার সৌদি অনুরোধ ট্রাম্প প্রশাসন প্রত্যাখ্যান করায় রিয়াদের নিরাপত্তা-উদ্বেগ আরও বেড়েছে।