বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের সুপারিশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে চিঠি পাঠান। ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখের ওই চিঠিতে বলা হয়, এই পদায়নের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় পররাষ্ট্রনীতি সরকারের কাছে উপস্থাপন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে। চিঠিটি প্রকাশের পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করা হলেও দাবি করা হয়, মন্ত্রীর পদমর্যাদাসংক্রান্ত অংশটি আমিরের নির্দেশনায় ছিল না। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, অধ্যাপক হাসান নির্দেশনার বাইরে কিছু বিষয় যুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর ২ মার্চ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
জামায়াত জানায়, তারা দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।