গত এক দশকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে ভারত ও ইসরাইলের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কূটনীতি ও প্রতিরক্ষার বাইরে ভারত এখন ইসরাইলের অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক তদন্তে বলা হয়েছে, যৌথ উদ্যোগ ও উৎপাদন অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভারত ইসরাইলের অস্ত্র উৎপাদনে অবদান রাখছে।
অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় কারখানা থেকে ইসরাইলি সামরিক সরবরাহকারীদের কাছে লাখ লাখ অস্ত্রের যন্ত্রাংশ পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং ৫ লাখ ৬৫ হাজার বিস্ফোরক অস্ত্রের অংশ রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানও এসব সরবরাহে যুক্ত ছিল।
ভারত একই সময়ে ইসরাইলি অস্ত্রের বড় ক্রেতাও রয়ে গেছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সময়ে ইসরাইলের মোট অস্ত্র রপ্তানির ২৯ শতাংশ ভারতে গেছে। গাজা যুদ্ধের পর ভারত ইসরাইলে ২০ হাজারের বেশি শ্রমিক পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞ স্ট্যানলি জনি বলেছেন, ভারতের পশ্চিম এশিয়া নীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে জাতীয় স্বার্থকে আরও জোরালোভাবে সামনে আনা উচিত।