সুন্দরবনে অপহৃত ১৪ জেলে প্রায় তিন সপ্তাহ পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন। প্রত্যেক জেলের জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দিতে হয়েছে। তারা ৩ মার্চ সকালে নিজ নিজ চরে ফিরে আসেন। মুক্তিপ্রাপ্ত জেলেরা নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরের চার মহাজনের অধীনে কাজ করতেন। তবে আলোরকোলের রফিকুল ও খালেক মহাজনের ১২ জেলে এখনো দস্যুদের হাতে জিম্মি রয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ও ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শেলার চর ও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় দস্যু করিম শরীফ, জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী মোট ২৬ জেলেকে অপহরণ করে। শেলার চরের ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন মিঠুর পাঠানো অডিও বার্তায় জানা যায়, মুক্তিপণ পাওয়ার পর ১৪ জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, দস্যুরা চাঁদা না পেলে আবারও শুঁটকি পল্লীতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে অভিযান চললেও শরণখোলা রেঞ্জে এর প্রভাব পড়েনি, ফলে এলাকাটি এখন দস্যুদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।