নীলফামারীর সৈয়দপুরে সিলমোহরকৃত গুদাম থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত কীটনাশক চুরির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম রেজাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল হক বসুনিয়া নীলফামারীর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারকের কাছে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মনোয়ার, কৃষিবিদ মোসলেহ উদ্দিন, তামজিদ হোসেন, সৈয়দপুর থানার উপপরিদর্শক ঋষিকেশ, সৈয়দপুর বিসিকের শিল্প কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং সাঈদ আহমেদ সানি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেনের গুদাম থেকে ৯৩ হাজার ৫০০ প্যাকেট নিষিদ্ধ ব্রিফার ৫জি, যা কাফুরান জাতীয় দানাদার কীটনাশক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, জব্দ করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে জব্দ মালামাল সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর সাঈদ আহমেদ সানির গুদামে রাখা হয় এবং তদারকির দায়িত্ব পান মশিউর রহমান। জেল থেকে বের হওয়ার পর মনোয়ার হোসেন রাতের আঁধারে মালামাল বিক্রি করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নম্বর ৪/২০২৫ করা হয়। ওসি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, তিনি থানায় যোগদানের আগে মালামাল জব্দ হয়েছিল এবং প্রয়োজনে আরও তদন্ত হতে পারে।