নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছেলে জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে। বুধবার দিবাগত রাতে পুলিশ তার ঘরের মেঝে খুঁড়ে নিহত মারুফা বেগমের (৬০) লাশ উদ্ধার করে। তিনি মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে ছেলে জুয়েল (৪০) আত্মগোপনে রয়েছে। লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, সোমবারের পর থেকে মারুফাকে আর দেখা যায়নি। বুধবার দুপুরে ছোট ছেলে লাভিন মিয়া বাড়িতে এসে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ঘরে রক্তের দাগ ও মাটির ফাটল দেখে সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে পুলিশ মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। জুয়েলের স্ত্রী হাসি বেগম ও ছেলে গোলাম রাব্বীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জুয়েল দুই দিন আগে মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখে। নিহতের ছোট ছেলে বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।