জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে গিয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে সাফাই দেন। বক্তব্যের সময় সভাকক্ষের অধিকাংশ আসন ফাঁকা ছিল। ভাষণের শুরুতেই বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি হল ত্যাগ করেন এবং উপস্থিত কয়েকজন তাকে লক্ষ্য করে প্রতিবাদ ও শোরগোল করেন।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, গত তিন বছরে ইসরাইলকে সাতটি ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসরাইল ইরানের সামরিক বাহিনী ও পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। ভাষণের সময় তিনি ২০২৪ সালে হিজবুল্লাহবিরোধী অভিযানে ব্যবহৃত পেজারের মতো একটি যন্ত্রও হাতে তুলে ধরেন।
তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সমালোচনা করেন। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে তিনি ইহুদিবিদ্বেষী বলে অভিহিত করেন এবং তার নির্বাচনের পর নিউইয়র্কের অনেক ইহুদি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বলে দাবি করেন। ইসরাইলের বিরুদ্ধে উপনিবেশবাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা বলেন। ভাষণের পর তিনি দ্রুত ইসরাইলে ফেরেন; সফরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার কোনো বৈঠক নির্ধারিত ছিল না।