বাংলাদেশে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০২৬ সালের ৫ জুলাই অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল চারজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ করার পর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ আদালত থেকে শুরু করে নিম্ন আদালত পর্যন্ত অনেক সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের সঙ্গে গোপন সমঝোতা, পেশাদারিত্বের অভাব ও ব্যক্তিস্বার্থে পদমর্যাদা ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাটর্নি জেনারেল ও পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস দলীয় পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হওয়ায় রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনআস্থা কমছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক বিবেচনায় অস্থায়ী নিয়োগের কারণে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস গঠনের সুপারিশ থাকলেও কোনো সরকারই তা বাস্তবায়ন করেনি। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না এবং যথাযথ অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস গঠন করলে দুর্নীতি কমবে, মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত হবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরবে।