ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী, এতে তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের ফসলি জমি তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। রোববার সন্ধ্যায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, যদিও সোমবার সকালে তা সামান্য কমে আসে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় পানি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের সবগুলো গেট খুলে দেওয়া এবং টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলা ও আশপাশের জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, পানির প্রবাহে বাদাম, ধান ও মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে এবং অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্যা ও ভাঙন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।