অরুণাচল প্রদেশে ভারত-চীন সীমান্তে দুই দেশের সেনাবাহিনী মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপির প্রধান শত্রুজিৎ কাপুর। প্রত্যন্ত আপার সুবানসিরি এলাকায় এই পরিস্থিতির খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্তবিরোধের মধ্যে ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য নতুন নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে ভারত সরকার বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
কংগ্রেস নেতা বসিরাম সিরাম দাবি করেছেন, চীনা সেনারা ভারতের প্রায় ৫০ কিলোমিটার ভেতরে অবস্থান করছে এবং ভারতীয় সেনাদের টহলে বাধা দিচ্ছে। তবে সরকার এ দাবি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেনি। ভারত ম্যাকমোহন লাইনকে সীমান্ত মনে করলেও চীন তা স্বীকার করে না। বেইজিং পুরো অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের দাবি করে এবং অঞ্চলটিকে দক্ষিণ তিব্বত বা জাংনান বলে।
কাপুর বলেছেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় চীনের সামরিক সক্ষমতা বেড়েছে; তাই ভারতীয় সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দুই দেশ সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ৬ আগস্ট ডব্লিউএমসিসির ৩৬তম বৈঠক এবং সেপ্টেম্বরে অরুণাচলে কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশ্লেষকদের মতে, উভয় দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া স্থায়ী সমাধান কঠিন।