তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ইউরোপের বিমান চলাচল খাতে অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর চালুর পর আট বছরেরও কম সময়ে যাত্রী পরিবহন, কার্গো হ্যান্ডলিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে এটি প্রতিষ্ঠিত বড় ইউরোপীয় বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে বিমানবন্দরটি দিয়ে ৮১ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছেন, যা লন্ডনের হিথ্রোর প্রায় ৭৯ লাখ যাত্রীর চেয়ে বেশি।
এই দ্রুত উত্থানের কারণ হিসেবে তুরস্কের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, তার্কিশ এয়ারলাইন্সের বিস্তৃত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং বৃহৎ অবকাঠামোর কথা বলা হয়েছে। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার সংযোগস্থলে থাকায় বহু যাত্রী ইস্তাম্বুলকে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। তুরস্কের কর্মকর্তাদের হিসাবে, ইস্তাম্বুল থেকে চার ঘণ্টার উড়ানে ৬৭টি দেশের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়।
ইউরোপে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দরটিতে একই সময়ে তিনটি বিমানকে রানওয়ে ব্যবহার করে উড্ডয়ন বা অবতরণের ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যা সক্ষমতা বাড়িয়েছে ও অপেক্ষার সময় কমিয়েছে। প্রথম ছয় মাসে কার্গো ১০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ টনের বেশি হওয়ায় এটি ফ্রাঙ্কফুর্টকে পেছনে ফেলেছে। সরাসরি মেট্রো সংযোগ রয়েছে; চতুর্থ রানওয়ে চালু এবং বছরে ২০ কোটি যাত্রীর সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনাও আছে।