বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্টিং ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৭৪ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে বিএফআইইউ প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সময়ে সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৯টি, যা আগের অর্থবছরের ১৭ হাজার ৩৪৫টির তুলনায় অনেক বেশি। মামুন জানান, সরকার পতনের পর রিপোর্টিং বেড়েছে এবং ব্যাংকগুলো এখন ভয় ছাড়াই তথ্য দিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের রিপোর্টিংয়ে ব্যাংকিং খাতই সবচেয়ে এগিয়ে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট রিপোর্টের ৯৫ শতাংশ এসেছে ব্যাংক থেকে, যা আগের বছরের ৯২ শতাংশের তুলনায় বেশি। ব্যাংকগুলো ২৮ হাজার ৭৫৫টি রিপোর্ট জমা দিয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি। এছাড়া ১ হাজার ৩১৪টি তথ্য বিনিময় হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে, যার মধ্যে সিআইডি, দুদক ও এনবিআর রয়েছে।
অন্যদিকে, নগদ লেনদেন রিপোর্টিং (সিটিআর) কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৪৫৪টিতে, যা আগের বছরের ২৩ হাজার ৯০০টির তুলনায় কম।