ইরান হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, যার ফলে দেশটির অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়, যা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে তেলের দাম বেড়ে গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। মিত্রদের সহযোগিতা চাইলেও ট্রাম্প প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছেন না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সতর্ক করেছেন, তেহরানের শত্রুদের জন্য প্রণালি বন্ধ থাকবে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ১৬টি জাহাজে হামলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে, আর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। জাপান, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়া ট্রাম্পের আহ্বানে সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় রাজি নন এবং ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে। এদিকে নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুজব অস্বীকার করা হয়েছে, আর লেবাননে হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফ্রান্স ও জাতিসংঘ সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।