জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ সপ্তাহান্তে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটে রূপ নেওয়ার পর ইতালি মিলানে ৫০০ সেনা মোতায়েন করছে। প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। আগামী শনিবার আবার বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। মুখোশধারী তরুণেরা ময়লার পাত্রে আগুন দেয়, দোকান লুট করে এবং শহরের ক্যাথেড্রালসংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থাপনার জানালা ভাঙচুর করে।
অস্থিরতার সময় পুলিশ ২৭১ তরুণকে আটক করে। পরে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়; তাঁদের মধ্যে ২৩ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৩ জন বিদেশি নাগরিক। আরও ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকা বিক্ষোভের প্রান্তে অবস্থান নেওয়া সহিংস গোষ্ঠীগুলোকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।
সরকারের ঘোষিত নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে সহিংস বিক্ষোভে অংশ নেওয়াকে অপরাধ গণ্য করা, দাঙ্গাকারীদের জন্য কঠোর শাস্তি এবং ভাঙচুর বা লুটপাটে জড়িত সন্তানের জন্য মা-বাবার আর্থিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। আশঙ্কায় মিলানের ফ্যাশন এলাকার অনেক বিলাসবহুল দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে বা জানালা থেকে পণ্য সরানো হয়েছে। ‘১৭ অক্টোবর’ আন্দোলন সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত মিলানসহ অন্যান্য শহরে প্রতি শনিবার বিকেলে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে।