ইসরাইল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। জেরুসালেমে ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া ভাষণে তিনি ইসরাইলের প্রতি ভারতের অকুণ্ঠ সমর্থন ঘোষণা করেন এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলাকে ‘বর্বর’ বলে নিন্দা জানান। তবে গাজায় ইসরাইলি হামলায় বিপুল প্রাণহানি ও মানবিক সংকটের বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মোদির এই অবস্থান ভারতের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন নির্দেশ করে।
মোদি তার ভাষণে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোর (আইএমইসি) এবং ভারত, ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের আই২ইউ২ জোটের ওপর গুরুত্ব দেন। আইএমইসি প্রকল্পটি ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপকে রেল ও সমুদ্রপথে যুক্ত করার উদ্যোগ, আর আই২ইউ২ পানি, জ্বালানি, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলেন, এসব উদ্যোগ ভারতের আঞ্চলিক বাণিজ্য ও কৌশলগত ভূমিকা জোরদার করছে।
এই সফরটি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন পশ্চিম তীরে ইসরাইলের সম্প্রসারণ ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বেড়েছে। নেতানিয়াহু নতুন আঞ্চলিক জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন, তবে ভারতসহ কোনো দেশ এখনো তা সমর্থন করেনি।