‘তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’ নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, এককালীন অর্থ বরাদ্দ এবং সময়বদ্ধ রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বুধবার সকালে রংপুর নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, তিস্তা নদী শুধু একটি নদী নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষি, অর্থনীতি, পরিবেশ ও কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দীর্ঘদিনের অবহেলা, ভাঙন, খরা ও আকস্মিক বন্যায় তিস্তা পাড়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে।
হক্কানী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পানি সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরুর ঘোষণা দিলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় বাজেটে পৃথক বরাদ্দ, বিশেষজ্ঞ ও আন্দোলন প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘তিস্তা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ’ গঠন, ‘তিস্তা বন্ড’ চালু এবং নদী ও কৃষি সুরক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ।
সংগঠনটি ২১ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত তিস্তা পাড়ে গণসংযোগ, ঈদ পরবর্তী বিশেষ মোনাজাত, ৫ জুন নাগরিক সমাবেশ এবং মাসব্যাপী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।