যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম ধনী অর্থনীতি হলেও জাতীয় অর্থনীতির আকার সবার সমান সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে না বলে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০২৫ সালে দেশটির নামমাত্র জিডিপি ছিল প্রায় ৩০.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে প্রযুক্তি ও আর্থিক শক্তির পাশাপাশি আবাসন, দারিদ্র্য, মাদকজনিত মৃত্যু, সম্পদ বৈষম্য এবং ফেডারেল ঋণের মতো গুরুতর সমস্যা রয়েছে।
এইচইউডির হিসাবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এক রাতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৬৫২ জন গৃহহীন ছিলেন, যাদের ২ লাখ ৬৬ হাজার ৩২০ জন আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে ছিলেন। জনগণনার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৩ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ সরকারি দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিলেন এবং সম্পূরক দারিদ্র্যের হার ছিল ১৩.১ শতাংশ। ২০২৪ সালের শেষ প্রান্তিকে শীর্ষ ১০ শতাংশ পরিবারের হাতে ছিল মোট পারিবারিক সম্পদের ৬৭.২ শতাংশ, নিচের ৫০ শতাংশের হাতে ছিল ২.৫ শতাংশ।
২০২৪ সালে আনুমানিক ৮০ হাজার ৩৯১ জনের মাদক অতিমাত্রায় গ্রহণে মৃত্যু হয়, যা আগের বছরের তুলনায় কম। ২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর মোট ফেডারেল ঋণ ছিল প্রায় ৪০.২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনের সিদ্ধান্ত, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ধনী হলেও সম্পদ বণ্টন, সামাজিক সুরক্ষা, ঋণের স্থায়িত্ব ও নীতিগত সামঞ্জস্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে গেছে।