হোয়াইট হাউস ঘোষণা করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত পেটেন্ট করা বিদেশি ওষুধের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। রপ্তানিকারক কোম্পানিগুলো চাইলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে এই উচ্চ শুল্ক এড়াতে পারবে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো দেশীয় ওষুধ উৎপাদন বাড়ানো এবং জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো। এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের হুমকির বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত হতে পারে, কারণ এটি জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অনেক বড় ওষুধ কোম্পানি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করেছে, ফলে তারা শুল্ক থেকে অব্যাহতি পাবে। যেসব কোম্পানি ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেবে, তাদের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশে নামানো হবে, আর মূল্য নির্ধারণে সরকারের সঙ্গে চুক্তি করলে শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার হতে পারে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই নীতির ফলে প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলো বেশি ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং ট্রাম্পের মেয়াদ শেষে এই সুবিধা আর বহাল থাকবে না।