কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন অছাত্ররা, যা সংগঠনগুলোর স্বচ্ছতা ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এ অবস্থায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা নতুন কমিটিতে চলমান শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির শাখার শীর্ষ নেতারা ইতিমধ্যে শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন।
২০২১ সালের জুনে গঠিত ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি এখনও কার্যক্রম চালাচ্ছে, যার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব দুজনই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। একইভাবে ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারিও আর ছাত্র নন। অভিযোগ রয়েছে, অছাত্র, অনিয়মিত সদস্য ও বহিরাগতদের সম্পৃক্ততা সংগঠনগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
অন্যদিকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শাখার কমিটিতে সভাপতি বাদে অধিকাংশ সদস্যের ছাত্রত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ভবিষ্যৎ কমিটিতে সক্রিয় বা সদ্য স্নাতক শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক, যাতে প্রকৃত ছাত্র প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।