বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) সদস্যদের ভূমিকা সীমিত করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি সদস্যদের নিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও বিএনপির আপত্তির পর ইসি তাদের দায়িত্ব সীমিত করে শুধু পোস্টাল ব্যালট ভোট গণনা কেন্দ্র ও ইসি সচিবালয়ের শৃঙ্খলা তদারকিতে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার ইসির এক উপসচিব স্বাক্ষরিত পরিপত্রে জানানো হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিএনসিসি সদস্যরা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে স্থাপিত আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট গণনা কেন্দ্র এবং ইসি সচিবালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। নির্দেশনায় ছয়টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়, নিরপেক্ষতা যাচাই ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা। ব্যয় ইসি সচিবালয়ের বাজেট থেকে বহন করা হবে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির আপত্তির পর ইসি এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানান, তরুণ ছাত্রদের এমন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, কারণ এতে ছাত্র ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিতর্কিত হতে পারে।