আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহারে শত শত মানুষ ভিড় করছেন নেদা মোহাম্মদ কাদরির বাড়িতে, যিনি নিজেকে আধ্যাত্মিক চিকিৎসক বা কবিরাজ বলে দাবি করেন। তিনি পানিপড়া ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে ক্যান্সার ও থ্যালাসেমিয়া সারানোর কথা বলেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা চিকিৎসা প্রশিক্ষণ ছাড়াই কাদরি প্রতিদিন শত শত রোগী দেখেন, যাদের অনেকেই শেষ আশায় তার কাছে আসছেন। তবে অনেক পরিবার অভিযোগ করেছে, অর্থ ও পশু নেওয়ার পরও কোনো উন্নতি হয়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে প্রতি বছর ২৪ হাজারের বেশি মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং ১৭ হাজারের বেশি মারা যান। হাসপাতাল, চিকিৎসক ও সরঞ্জামের অভাবের পাশাপাশি ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও দুর্বল হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ থাকায় উন্নত চিকিৎসা ও ওষুধের প্রবেশও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, কবিরাজি চিকিৎসা বা অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে। তারা বলেন, এসব আধ্যাত্মিক পদ্ধতি মানসিক সান্ত্বনা দিতে পারে, কিন্তু আধুনিক চিকিৎসার বিকল্প নয়।