তেহরানে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত খামেনির দাফন শনিবার রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে শুরু হবে। সেখানে তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। কর্মীরা শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে এবং সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন, যা ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় দাফন হবে। শুক্রবার বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য আলাদা অনুষ্ঠান হবে, যেখানে প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেবেন। ইউরোপীয় দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। দাফনের সময় দেশজুড়ে ছয় মাস ধরে চলা জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটও বিদ্যমান।
তেহরানের অনুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে এবং ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন করা হবে। তার ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতাবা খামেনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি।