সীতাকুণ্ডের একটি শিপইয়ার্ডে জাহাজের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের তীব্র ঝুঁকির কারণে তদন্ত কমিটির সদস্যরা দুর্ঘটনার মূল স্থানে প্রবেশ করতে পারছেন না। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজের অভ্যন্তরের গ্যাস নিরাপদে নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত সরেজমিন তদন্ত সম্ভব নয়। ফলে গ্যাসের উৎস, জাহাজ কাটার আগে গ্যাসমুক্ত করার যথাযথ ব্যবস্থা ছিল কি না এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি কোথায় ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর অমীমাংসিত রয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শাখা আট সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে। দলে বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিস্ফোরক পরিদপ্তর এবং মেরিন সার্ভেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে পাঁচ সদস্যের পর্যবেক্ষক দল কাজ শুরু করলেও বদ্ধ প্রকোষ্ঠে বিপজ্জনক রাসায়নিক ও বিষাক্ত গ্যাসের তীব্রতা বিবেচনায় বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়। পরিস্থিতি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে জাহাজে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে বাইরে থেকে পারিপার্শ্বিক তথ্য, নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংগ্রহ চলছে।