রংপুরের নতুন পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশীদ বলেছেন, চাঞ্চল্যকর মামলার চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে সুবিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। শুক্রবার দুপুরে নগরীর দাসপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে শনিবার রাতে ওই বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে। কমিশনার মাদককে সারাদেশের সামাজিক সমস্যা উল্লেখ করে এক সপ্তাহের মধ্যে এর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপের কথা বলেন এবং সহযোগিতায় রংপুরকে শান্তি ও নিরাপত্তার শহর গড়ার অঙ্গীকার করেন।