২০২৬ সালের ৬ জুলাই প্রকাশিত এক মতামতধর্মী লেখায় ২০১১ সালে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ১৫ বছর বয়সী ফেলানী খাতুনের ঘটনার ১৫ বছর পরও বিচার না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। লেখায় বলা হয়েছে, ফেলানীর বাবা নূরুল ইসলাম এখনও বিচার চান, কিন্তু অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য দুবার খালাস পেয়েছেন এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ২০১৫ সাল থেকে রিট ঝুলে আছে। লেখক মনে করেন, এই ঘটনা শুধু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আচরণের নয়, বরং বাংলাদেশের কূটনৈতিক দুর্বলতা ও নাগরিক সুরক্ষার ব্যর্থতার প্রতীক।
মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য উদ্ধৃত করে লেখায় বলা হয়েছে, ২০০০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিএসএফের গুলিতে অন্তত ১,২৩৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১,১৪৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ২০২১ সালে ১৮ জন নিহতের সংখ্যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ জনে। লেখায় বলা হয়েছে, সীমান্তে বিচারবহির্ভূত হত্যা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের নীতি হতে পারে না এবং কেবল মুখে স্বীকৃতি নয়, জবাবদিহির কাঠামো গড়ে তোলাই জরুরি।
লেখক জাতীয় ঐক্য ও সংস্কারমূলক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ফেলানীর প্রশ্ন এখনো জীবন্ত এবং এটি বাংলাদেশের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির পরীক্ষার প্রতীক।