ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো তিন দিনব্যাপী নাগরিক উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রাণবন্ত ঈদ উৎসব। ২০ মার্চ প্রতীকী ‘শাহি এলান’-এর মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়, এরপর রবীন্দ্র সরোবরে মেহেদি উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের দিন সকালে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ শেষে বর্ণাঢ্য ঈদমিছিল এবং ২২ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুড়ি উৎসবের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের হারানো ঈদ ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং নাগরিক জীবনে সংস্কৃতির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ফিরিয়ে আনা। মিছিলে সুসজ্জিত হাতি, ঘোড়া, বাদ্যযন্ত্র ও সার্কাস দলের অংশগ্রহণে রাজকীয় আবহ তৈরি হয়। নাগরিকরা জানান, পুরান ঢাকার সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে এমন উৎসব তাদের শিকড়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করছে।
মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়ে আয়োজক কমিটি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, যাতে এটি জাতীয় ঐক্য ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হয়ে ওঠে।