বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের সমন্বিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেটে টাকার অবমূল্যায়ন, উচ্চ বিনিময় হার, আমদানিনির্ভরতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব স্বীকার করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ জোরদারে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ, পটুয়াখালী ও যশোরে নতুন ইপিজেড, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, চাঁদপুর ও কুষ্টিয়ায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনসহ বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যবসা সহজীকরণে ‘বাংলাবিজ’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু এবং ১৯টি খাত নিয়ে এফডিআই হিট ম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে জোর দেওয়া হয়েছে।
তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রণোদনা বাস্তবায়ন এবং ব্যাংকিং খাত সংস্কার এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে খেলাপি ঋণের উচ্চ হার আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।