Web Analytics
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতি দূর করে লোডশেডিং শূন্যে নামানো এবং শিল্পায়নে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। আমার দেশকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পরিকল্পনায় অন্তত তিন মাসের জ্বালানি মজুত, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয় রয়েছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যও এর সঙ্গে যুক্ত।

তিতুমীরের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথমে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ ঘাটতি কমিয়ে লোডশেডিং শূন্যে নামানো হবে। দ্বিতীয় ধাপে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৬ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, মাতারবাড়ি ও চট্টগ্রামের পাশাপাশি মোংলা অঞ্চলেও জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। মোংলায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও সিএনজি ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। আইপিপি ও পিপিএ মডেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কাজ করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে তিনি জানান।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।