ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ওই অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। এটি ইতোমধ্যে আরব সাগরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলোর সঙ্গে যুক্ত হবে। নিউইয়র্ক টাইমস প্রথমে এই মোতায়েনের খবর প্রকাশ করে, যখন লোহিত সাগর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে।
উপসাগরীয় আরব দেশগুলো সতর্ক করেছে যে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের প্রভাব কাটতে না কাটতেই নতুন হামলা বড় সংঘাতের সূত্রপাত করতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, নতুন পরমাণু চুক্তিতে ব্যর্থ হলে এর ফলাফল “খুবই যন্ত্রণাদায়ক” হবে। ওমানের পরোক্ষ আলোচনার পর তিনি জানান, এক মাসের মধ্যে একটি চুক্তি চাওয়া হচ্ছে এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও হামাস-হিজবুল্লাহ সমর্থন বন্ধের দাবি শোনেন।
ইরান বর্তমানে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার চাপে রয়েছে। ইউএসএস ফোর্ডের নাবিকরা ২০২৫ সালের জুন থেকে সমুদ্রে অবস্থান করছেন, এবং নতুন নির্দেশনায় তাদের মোতায়েন আরও দীর্ঘ হতে পারে, যদিও হোয়াইট হাউজ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।