জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বর্তমান সংসদের কাছে দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি এবং এর কার্যক্রমের দিকে ৩৬ কোটি চোখ নিবদ্ধ। ১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত বাসসকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মানুষ সংসদ সদস্যদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণের প্রত্যাশা করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রামের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষও মোবাইল ফোনে সংসদের প্রতিদিনের কার্যক্রম দেখেন।
তিনি বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ৩৫০ সদস্যের প্রায় ৯৯ শতাংশ অতীতে ফাঁসির মঞ্চ, গুম, আয়নাঘর, নির্যাতন, নির্বাসন বা জেল-জুলুমের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বে ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার অঙ্গীকারও করেন তিনি। সরকার ও বিরোধী দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।
কায়সার কামাল বলেন, আইন প্রণয়ন, নির্বাহী বিভাগের আইন প্রয়োগ এবং বিচার বিভাগের পর্যালোচনার কারণে জাতীয় সংসদ রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর মতে, সরকারি দল যেমন বক্তব্যের সুযোগ পাবে, বিরোধী দলও তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার অবারিত সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সংসদ নির্বাচন দেশের ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও সবচেয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছিল; এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে।